অনলাইন রিটার্নে কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না, শুধু তথ্য লাগে।
অনলাইনে রিটার্ন জমার সময় সাধারণত যেসব কাগজপত্রের তথ্য লাগে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো—
- বেতন খাতের আয়ের প্রমাণ, যেমন, স্যালারি সার্টিফিকেট/পে স্লিপ/নিজের নামে ব্যাঙ্ক একাউন্ট স্টেটমেন্ট (প্রোপ্রাইটর হিসেবে ব্যবসায়িক ব্যাংক একাউন্ট থাকলে, তার স্টেটমেন্ট অবশ্যই প্রয়োজন হবে),
- সিকিউরিটিজের ওপর সুদ আয়ের সনদ,
- ভাড়ার চুক্তিপত্র,
- পৌর করের রসিদ,
- বন্ধকি ঋণের সুদের সনদ,
- মূলধনি সম্পদের বিক্রয় কিংবা ক্রয়মূল্যের চুক্তিপত্র ও রসিদ,
- মূলধনি ব্যয়ের আনুষঙ্গিক প্রমাণপত্র,
- শেয়ারের লভ্যাংশ পাওয়ার ডিভিডেন্ড ওয়ারেন্ট,
- সুদের ওপর উৎসে কর কাটার সার্টিফিকেট।
কী কী তথ্য দিতে হবে
আয়ের বিপরীতে আপনি বেতন–ভাতা পান, ব্যবসা করলে আয়ের হিসাব–নিকাশের কাগজপত্র, কৃষি থেকে আয়ের প্রমাণপত্র, সঞ্চয়পত্রসহ অন্য উৎসের মুনাফা বা আয়ের কাগজপত্র ইত্যাদি থেকে আয়ের তথ্য–উপাত্ত লাগে।
করদাতা ই-রিটার্নে তাঁর আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায়ের তথ্য-উপাত্ত রিটার্নে দিলেও সেসব কাগজপত্র ও দলিলাদি করদাতাকে নিজ দায়িত্ব রাখতে হবে।
ভবিষ্যতে কর কর্মকর্তারা যদি আপনার রিটার্নটি নিরীক্ষা বা অডিটের আওতায় নিয়ে আসেন, কিংবা কোনো তথ্যের ব্যাখ্যা চান, তখন এসব কাগজপত্র দেখাতে হবে।
ই-রিটার্ন ড্যাশবোর্ড এ আপনার একাউন্ট ওপেন (Sign up/Registration) করতে হলে, আপনার মোবাইল ফোনের সিম কার্ডটি অবশ্যই আপনার নামে রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে।

